(06/06/2024)
সৃষ্টিলগ্ন থেকেই স্বাপ্নিক এর আদর্শগত উদ্দ্যশ্যেই ছিলো , সমাজের যে অংশে উন্নয়ন কিংবা উন্নতির আলো স্পর্শ করেনি কিংবা হয়ত সর্বনিম্ন পর্যায়ে আছে সেখানেই নিজেদের সর্বোচ্চ দিয়ে এগিয়ে যাওয়া। শহর বা শহরতলীর ছিন্নমূল মানূষদের সাহায্যার্থে বিভিন্ন উপলক্ষে অসংখ্য সংগঠন এগিয়ে আসে। নিসন্দেহে সেসব ভালো কাজই। কিন্তু বাংলাদেশের একেবারে প্রত্যন্ত অঞ্চল গুলোতে , গ্রামের খেটে খাওয়া কৃষক, মজুরের ঘরেও খুব সামান্য কিন্তু অতি গুরুত্বপূর্ন জিনিসের অভাবে অতি সাধারণ একটি জীবনও তাদের অধরা থেকে যায়। এই যেমন বারুইকাঠি এলাকায় আমাদের জরিপের মাধ্যমে জানতে পারলাম এখানকার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গুলোতে অধ্যয়নরত অধিকাংশ শিশু শিক্ষার্থীদেরই আসন্ন এবং চলমান বৃষ্টিতে নিজের বই গুলোকে না ভিজিয়ে স্কুলে আসার মত উপায়ও নেই। হয়ত ধনী পরিবারের ছেলে মেয়েরা যেখানে রঙ বেরঙের ছাতা মাথায় আনন্দের সাথে স্কুলে যায় তারা নিজের মূল্যবান বইগুলোও বাচাতে পারে না। অথচ শিশুদের একটি ছাতার বর্তমান বাজার মূল্য একটা মোটামুটি মানের শৌখিন রোদচশমার চেয়েও কম। আমাদের সামর্থ্য সীমিত। তবু আমরা চেষ্টা করছি অসচ্ছল পরিবারের বাচ্চাদের শৈশব অন্তত কিছুটা সহজ হয়। শৌখিন না হোক, অন্তত প্রয়োজনীয় উপকরণগুলো পাওয়াও কম কথা নয়। কিন্তু সাধ থাকলেও সাধ্য তো হয়ে ওঠেনা।
যাহোক, এই প্রজেক্ট চলাকালীন আমাদের দুইজন সদস্য দূর্ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছিলেন। তবু, বাচ্চাদের মুখের হাসিই তাদের সকল পরিশ্রম সার্থক করেছে।



